আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশের মাটি, পানি, আবহাওয়ার কারণে পৃথিবীর যেকোন দেশের চেয়ে ভৌগোলিকভাবে স্বতন্ত্র। এখানকার মাটি যেকোন কোন কিছু উৎপাদনের জন্য উপযোগী। অর্থাৎ মরু অঞ্চল কিংবা অধিক শীতাঞ্চল না হওয়ার কারণে আমাদের মাটি যেমন ভিজা থাকে তেমনি রৌদ্র গায় মাখে নিয়মিত। তাই নানারকম ফসলে ভরপুর আমাদের এই মাতৃভূমি।
আমাদের রয়েছে পাহাড় যেখানে নানারকম গাছপালা, ফল, ফসল ও প্রকৃতিজাত পণ্য পাওয়া যায়। একই ভাবে নদীতে পাওয়া অসংখ্য রকমের মাছ। তেমনি সমতল মাটিতে পাওয়া যায় আমাদের প্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছু। তেমনি দেশবাসীর কারিগরি ও বুদ্ধিমত্তার কারণে তৈরি হয় নানারকম জিনিস পত্র। এসব পণ্যের অনেক কিছুই সবত্র উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। অর্থাৎ আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য ও প্রভাব রয়েছে। যা ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতির জন্য বিশেষ উপযোগী। তাই বাংলাদেশের সম্ভাব্য জিআই পণ্যের তালিকা ও বর্ণনা এই ওয়েবসাইটে আপলোড করেছি আলাদা আলাদা পোস্টে। তবে সবগুলো পোস্টের লিংক একত্রে করে সাজানো হয়েছে এই পোস্ট। যেন জেলার নামের উপর ক্লিক করলে ঐ জেলার সম্ভাব্য জিআই পণ্য সম্পর্কে জানা যাবে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য জিআই পণ্যের তালিকা ও বর্ণনা
এই তালিকা এবং বর্ণনা প্রাথিমকভাবে করা হয়েছে। এটি প্রতিনিয়ত আপডেট করা হবে।
ঢাকা বিভাগ
- নরসিংদী
- গাজীপুর
- শরীয়তপুর
- নারায়ণগঞ্জ
- টাঙ্গাইল
- কিশোরগঞ্জ
- মানিকগঞ্জ
- ঢাকা
- মুন্সিগঞ্জ
- রাজবাড়ী
- মাদারীপুর
- গোপালগঞ্জ
- ফরিদপুর
চট্টগ্রাম বিভাগ
- কুমিল্লা
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- রাঙ্গামাটি
- নোয়াখালী
- কক্সবাজার
- খাগড়াছড়ি
- ফেনী
- চাঁদপুর
- লক্ষ্মীপুর
- চট্টগ্রাম
- বান্দরবান
রাজশাহী বিভাগ
খুলনা বিভাগ
বরিশাল বিভাগ
সিলেট বিভাগ
রংপুর বিভাগ
ময়মনসিংহ বিভাগ
জেনিস তানিয়া আপুকে অনেক ধন্যবাদ দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের ফাউন্ডেশন দাঁড় করানোর জন্য।
জেনিস ফারজানা তানিয়া আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কনটেন্ট লিখার জন্য।
অসাধারণ একটা কাজ! চমৎকার একটা কাজের ভিত তৈরি করেছেন। এটাকে ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে জি আই পণ্যের স্বীকৃতি, প্রচার ও প্রসারে। আসলেই আমরা যতবেশি জি আই পণ্য নিয়ে কাজ করবো, ততই এর বাণিজ্যিকীকরণ হবে। তার সাথে সাথে বাড়বে অর্থনীতির আকার। মোটকথা দেশের উন্নয়নে সামগ্রিকভাবে অবদান রাখবে এই জি আই পণ্য।
আমাদের ৬৪ জেলায় কতোশত ঐতিহ্যবাহী পণ্য রয়েছে তা আমরা কয়জনে জানি? অথচ এসব দেশি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেলে এবং সঠিকভাবে বাণিজ্যিকীকরন করতে পারলে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।জিআই পণ্য রপ্তানীর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে ডলার ক্রাইসিস মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে আমাদের দেশের এসব পণ্য।ধন্যবাদ জেনিস ফারজানা তানিয়া আপু।
সময়োপযোগী ও চমৎকার উদ্যোগ,ইনশাআল্লাহ আরো নতুন নতুন জি আই পণ্য এতে যোগ হবে।
জেনিস তানিয়া আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ। দেশের জন্য একটা মজবুত ভীত তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের জি আই পণ্য সম্পর্কে জানতে হলে কিংবা লিখতে হলে যে কেউ খুবই সহজে লিংকে ঢুকে জানতে পারবে।তেমনি আবার দেশের সুনাম অর্জনে ও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে।আপনার জন্য শুভকামনা রইল আপু।
জি আপু। গুগলে সার্চ করলেও পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহর। আপনার জেলার সম্ভাব্য জিআই পণ্য লিখে সার্চ করলেও পাবেন ইন শা আল্লাহ
জি আপু। আপনারাও নাম সাজেশট করে সহযোগিতা করতে পারেন।
অনেক ধন্যবাদ আপু। বরাবরই আপনি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
যথার্থ বলেছেন ভাই।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু
ধন্যবাদ ভাই
অসাধারণ