উদ্যোক্তাদের জন্য এআই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি
ফেসবুক ভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে জানা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে নিজের বিজনেস এগিয়ে নিতে উদ্যোক্তাদের জন্য এআই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি। কেননা এই প্রযুক্তির যুগে যোগাযোগ থেকে ব্যবসার প্রতিটি ধাপেই দ্রুত পরিবর্তন আসছে। আগে আমরা ক্রেতাদের কাছে পণ্যের প্রচার বাড়ানোর জন্য সবকিছুই নিজেরা করতাম। এখন কন্টেট থেকে শুরু করে কাস্টমার সার্ভিস পর্যন্ত সব কিছুতেই সহযোগিতা করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই। যা এতটা দ্রুত হয় যে কল্পনাও করা যায় না। উদ্যোক্তাদের জন্য এআই কেন গুরুতপূর্ণ এবং এটি কিভাবে ব্যবসায় গতি আনতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো এই পোস্টে।
১. এআই কেন ফেসবুক উদ্যোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে ফেসবুক অন্যতম। ব্যবহার ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে বাংলাদেশে ফেসবুকের অবস্থান ১ নাম্বারে। এ কারণে সারাবিশ্বের ন্যায় লক্ষ লক্ষ ছোট-বড় ব্যবসার ব্র্যান্ডিং ও বিক্রির জন্য ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তবে প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে দিনে দিনে চ্যালেঞ্জও বাড়ছে সমান তালে। ভালো পণ্যের পাশাপাশি স্মার্ট কৌশল ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।
দেশের ফেসবুক ভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য বেশিরভাগই ওয়ান ম্যান আর্মি। আমি বলছি, তারা প্রায় সব কাজ একাই করে থাকেন। এ কারণে এআই তাদের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, আমাদের মতো উদ্যোক্তাদের সময় বাঁচাতে, খচর কমাতে এবং দক্ষ বাড়াতে এআই সাহায্য করে। উদাহরণ দিলে পরিষ্কার হওয়া যাবে, আগে আমরা একটা পোস্ট গুছিয়ে লিখতে যতটা সময় ব্যয় করতাম এখন এআই তা মুহুর্তেই করে দিচ্ছে। একটা পণ্যের ফটোগ্রাফি করতে যতটা সময় অপচয় হতো তা এখন কয়েক ক্লিকেই সম্পন্ন হচ্ছে।
এ কারণে পুরাপুরি এআই নির্ভর না হয়ে এর সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি। কারণ এআই কন্টেন্টের ব্যাপারেও নানাভাবে কঠোর হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। তা ইউটিউবের নতুন আপডেটে পরিষ্কার হওয়া গেছে। পরিশেষে বলা যায়, সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যেতে এআই ফেসবুক উদ্যোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

২. ক্রেতাদের রুচি ও চাহিদা বিশ্লেষণে এআইয়ের ব্যবহার
যেকোন ব্যবসায় ক্রেতাদের রুচি ও চাহিদা বুঝতে পারা আবশ্যক। কেননা বিক্রয় বাড়াতে এটিই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে। ফেসবুকের মতো প্লাটফর্মগুলোতে কোটি কোটি মানুষ নিয়মিত সময় কাটায়। তাদের পছন্দ-অপছন্দ, কেনাকাটা সহ নানা রকম বিষয়ে পোস্ট করে, কমেন্ট করে। এই বিশাল তথ্য উপাত্ত ম্যানুয়ালি বিশ্লেষণ করা অসম্ভব। কিন্তু এই কঠিন কাজিটাই খুব সহজে ও অল্প সময়ে নির্ভুল ভাবে সম্পন্ন করতে পারে এআই।
এআই এর অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের পছন্দ-অপছন্দ সহ বিস্তারিত বিশ্লেষণ করতে পারে। এ কারণেই আমরা ফেসবুকে যে ধরণের পোস্ট পড়ি সেসব পোস্টই আমাদের সামনে আসে। যাদের পোস্ট ভালো লাগে তাদের পোস্টগুলোই বার বার আসে। ইউটিউবও তার ব্যতিক্রম নয়।
আমি মনে করি একজন উদ্যোক্তা হিসেবে যদি আমরা অ্যালগরিদমের সঠিক ব্যবহার করতে পারি তাহলে এআই দ্বারা ক্রেতাদের রুচি ও চাহিদা জানা সহজ হবে। যা ব্যবসায়ীক সাফল্য এনে দিবে।
৩. বিজ্ঞাপনে তৈরিতে এআইয়ের ভূমিকা
বর্তমান যুগে বিজ্ঞাপন আগের মতো কাজ করে না। আগে আমরা টেলিভিশনে সবাই একই বিজ্ঞাপন দেখেছি। কিন্তু এখনকার দিনে সবাই নিজের পছন্দের বিজ্ঞাপন দেখে। বিজ্ঞাপন তৈরি ও প্রচারেরও এসেছে আমূল পরিবর্তন।
ফেসবুক ভিত্তিক উদ্যোক্তারা আগে নিজেরাই ছবি উঠাতেন অথবা মডেল ও ফটোগ্রাফার দিয়ে পণ্য সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতেন । তা ছিল ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ। কিন্তু বর্তমানে যা কেউ চাইলেই এক বা একাধিক ছবি দিয়ে এআইকে প্রম্পট দিলে সে মডেলিং করে দেয় মুহুর্তে, ভিডিও বানিয়ে দেয় নিখুঁতভাবে। যা সময় ও অর্থ ২টাই বাঁচিয়ে দিচ্ছে। এ কারণে ঘনঘন নিজের পণ্য নিয়ে বিভিন্ন ভাবে পোস্ট করা যাচ্ছে।
এছাড়াও যে কন্টেন্ট মানুষের মনে ধরে সে ধরণের কন্টেন্টই বানানো যাচ্ছে। এমন পার্সোনালাইজ কাজ আছে ছিল ব্যয়বহুল।
৪. কন্টেন্ট তৈরিতে এআইয়ের সহযোগিতা
নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি ও পোস্ট করা ফেসবুক ভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য একটা গুরুতপূর্ণ কাজ। ক্যাপশন, ছবি, ভিডিও কিংবা আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন তৈরি করতে করতে এআই সাহায্য করে। এখনকার দিনে সৃজনশীলতা না থাকলে কেউ পোস্ট পড়ে না, দেখে না। এআই দিয়ে মাত্র কয়েক ক্লিকেই ফেসবুক বা ইউটিউবের জন্য কন্টেন্ট বানিয়ে নেওয়া যায়। তবে এই ক্ষেত্রে এআই কন্টেন্ট ব্যবহারের চেয়ে আইডিয়া নিয়ে নিজের মতো করে বানিয়ে নেওয়াই শ্রেয়। এতে নিজস্বতা বজায় থাকবে। এআই এর সহযোগিতা নিলে সময় বেঁচে যাবে।
বর্তমানে ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট তৈরিতেও এআই দারুণ ভূমিকা রাখছে। টেক্সট টু ইমেজ, টেক্সট বা ইমেজ টু ভিডিও তৈরি করতে পারে। যা উদ্যোক্তাদের গতিশীলতা ও ব্র্যান্ডিং কে শক্তিশালী করে।
৫. কাস্টমার কেয়ারে চ্যাটবট ও এআই
এখনকার দিনে মানুষ দ্রুত রেসপন্স আশা করে। একটা টেক্সট করার সাথে সাথেই সে মন মতো উত্তর চায়। একজন উদ্যোক্তার জন্য তা দ্রুত ও নির্ভুল করা সম্ভব নয়। কিন্তু চ্যাটবট ও এআই সেই কাজটাই করতে পারে মুহুর্তে। তাই ফেসবুক পেজের মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ, ওয়েবসাইটের হেল্পলাইন সহ সব জায়গাতে চ্যাটবট বসানো দরকার। যা সময় বাঁচাবে এবং ক্রেতাদের সন্তুষ্ট করবে।
২৪ ঘণ্টা এবং বছরের ৩৬৫ দিনই পণ্য সম্পর্কিত তথ্য, ডেলিভারি স্ট্যাটাস, টিপস সহ নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার জন্য চ্যাটবট ও এআই এর বিকল্প নেই। চ্যাটবটগুলো বিক্রয় ফানেলেও ভূমিকা রাখে। আরেকটা কাজ ভালোভাবে করতে পারবে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সাজেশন। বিষের করে যারা কাপড় ক্রয় করতে আসেন। এতে করে ক্রেতার সন্তোষটি, বিক্রি ও ব্র্যান্ডিং সহ সবই বাড়বে।
৬. ডেটা বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে এআই
উদ্যোক্তাদের প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এর জন্য প্রয়োজন অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো। এআই সেই কাজটা করে ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে। ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রচুর ডেটা তৈরি হয় যা ম্যানুয়ালি বিশ্লেষণ করা প্রায় অসম্ভব। সেখানে এআই সেই কাজটা ভালোভাবে করতে পারে। সম্প্রতি এক্সে গ্রোক নামকে একটি জিপিটি বসিয়েছে। সেখানে একটা পোষ্ট লিংক দিলেই সকল কমেন্টের ডেটা বিশ্লেষণ করে রেজাল্ট দেয় ব্যবহারকারীকে। তাই আমরা যখন পণ্য নিয়ে পেজে বা প্রোফাইলে কোন পোস্ট দেই এবং সেটার হাজার হাজার কমেন্ট থেকে মূল পয়েন্টগুলো জানতে চাই তখন গ্রোক আমাদেরকে দারুণভাবে হেল্প করতে পারে।
এছাড়াও যাদের ওয়েবসাইট আছে। তারা এআই এর সাহায্যে বিক্রয় সহ সকল ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারেন। এরপর এআই সাজেস্ট করতে পারবে কোন ধরণের কিওয়ার্ড মানুষ সার্চ করে, কোন পেজে বেশি সময় দেয় ইত্যাদি। এছাড়াও এআই আমাদের বলতে পারে কোন ধরণের পণ্যের চাহিদা বাড়ছে, কোন ক্যাম্পেইন কার্যকর হচ্ছে, কোন পণ্যে ফোকাস দেওয়া যায় ইত্যাদি। ডেটা বিশ্লেষণ করে এআই যে রেজাল্ট দেয় তা একজন উদ্যোক্তার জন্য কার্যকরী।

৭. ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এআই
অনেকের ধারণা এআই কেবল বড় বড় ব্যবসার জন্য। বাস্তবতা হলো এআই দিন দিন সহজলভ্য হচ্ছে তাই খরচও কমে আসছে এবং ব্যবহারও সহজ হচ্ছে। তাই উদ্যোক্তারা প্রতিটি টুলস ফ্রি ট্রায়াল দিয়ে দেখে নিতে পারতেছে কোনটা তার জন্য কতটা কার্যকরী। এরপর তার চাহিদা অনুযায়ী মাসিক বা বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন নিতে পারতেছে।
ফেসবুক ভিত্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য কিছু জনপ্রিয় এআই টুলসঃ
- কন্টেন্টঃ চ্যাটজিপিটি, জেমিনি এগুলো পোস্ট লেখার আইডিয়া পেতে, নিজের পোস্ট মানসম্মত করতে হেল্প করে।
- ইমেজ ও ভিডিওঃ ক্যানভা, ক্যাপকাট, এআই স্টুডিও ইত্যাদি টুলস দিয়ে টেক্সট টু ইমেজ, টেক্সট টু ভিডিও, ইমেজ টু ভিডিও বানানো যায়।
- চ্যাটবটঃ ফেসবুক মেসেঞ্জারের জন্য ম্যানিচ্যাট, Botsify ইত্যাদি।
- ডেটা বিশ্লেষণঃ Hootsuite সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিটিক্স।
- বিজ্ঞাপনঃ ফেসবুকের নিজস্ব অ্যাডস ম্যানেজার।
এই এআই টুলসগুলো ব্যবহার করে অল্প খরচে নিজেদের ব্যবসাকে কার্যকরী করতে পারবে উদ্যোক্তারা।
৮. এআই দক্ষতা অর্জনের রোডম্যাপ
এআই আমাদের এসিস্ট্যান্ট, শিক্ষক ও পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই এআই এর সঠিক ব্যবহার করার জন্য আমাদেরকে নিয়মিত দক্ষ হতে হবে। এছাড়াও ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে আমাদেরকে এআই এর সহযোগিতা নিতে হবে। তাই এআই এর বেসিক জানার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এর জন্য ইউটিউব দারুণভাবে সহযোগিতা করতে পারে।
এখন যেহেতু এআই নির্ভর টুলস বাড়ছে তাই সব টুলস সকলের জন্যই দরকারি না। আপনার ব্যবসায় কাজে আসবে এমন টুলসগুলো নিয়ে জানুন এবং এক্সপেরিমেন্ট করুন। তাহলেই নিজের উদ্যোগ এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্। আর নিয়মিত শেখার মধ্যেই থাকতে হবে।
৯. এআইয়ের চ্যালেঞ্জসমূহ
এআই যেমন আমাদের সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে তেমনি এর কিছু চ্যালেঞ্জও আছে।
অলসতাঃ এআই এর সহজলভ্যতা কাজে লাগিয়ে যদি কেউ অলস হয়ে যায় তাহলে ব্যর্থতা আসতে পারে। এ কারণে অলসতা কে দূরে ঠেলে দিয়ে নিয়মত শিখতে হবে এবং আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। কেননা, অন্য সবাই সেইম ভাবে আগাতে পারে তাই আমরা অলসতা করলে অন্যরা এগিয়ে যাবে।
জ্ঞানের অভাবঃ যদি নিয়মিত শেখার মধ্যে না থাকা হয় তাহলে পিছিয়ে পড়তে হবে। এআই টুলসগুলোকে ভালোভাবে ব্যবহার করতে না পারলে ফলাফল আসবে না, ভুল ফলাফল আসতে পারে।
বেশি দামঃ এআই এর সাবস্ক্রিপশন দামের কারণে অনেকের পক্ষে হয়তো সব টুলস ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। তবে চেষ্টা করলে এবং অপেক্ষা করলে সমজাতীয় অন্য টুলসও পাওয়া যেতে পারে। উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, একটা সময় ভিডিও বানানোর টুলস অনেক ব্যয়বহুল ছিল। কিন্তু গুগলের এআই টুলস এভাইলেবল হওয়ার কারণে তা সাশ্রয়ী, সহজ ও ফলপ্রসূ হয়ে গেছে।

১০. এআই ব্যবহারের আওয়ার শেরপুর-এর সাফল্য
আমার দৃষ্টিতে এআই ব্যবহার করে আওয়ার শেরপুর সাফল্য অর্জন করেছে। তাদের এই ফেসবুক পেজের বয়স মাত্র কয়েকমাস। এর মধ্যেই পেজটি অর্গানিকভাবে ১৬ হাজারের বেশি ফলোয়ার অর্জন করেছে। কিছু কিছু পোস্টের রিয়েক্ট কয়েক হাজারও হয়। সবগুলো পোস্টেই আসে অর্গানিকভাবে গঠনমূলক লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার। এছাড়াও তাদের এআই দিয়ে তৈরি করা ভিডিওগুলো লাখ লাখ ভিউ, লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার পাচ্ছে। একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড দাঁড় করানোর জন্য অর্গানিক এনগেজমেন্ট খুবই দরকার। এর জন্য দরকার ফলোয়ারদের পছন্দের কন্টেন্ট।
শেষ কথা
এআই এখন আর ভয়ের নাম নয়। বরং উদ্যোক্তাদের জন্য এখন এটি প্রয়োজনীয়। যারা যত আগে থেকে এবং যত ভালোভাবে এআইকে গ্রহণ করতে পারবে তারা তত ভালোভাবে এগিয়ে যেতে পারবে। সবসময় First-mover advantage নেওয়ার দিকে আমাদের ফোকাস থাকতে হবে।
ব্যবসাকে স্মার্ট, কার্যকর ও লাভজনক করতে হলে এআই বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। ডেটা বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে দক্ষতা বৃদ্ধি, কাস্টমার সন্তুষ্টি, বিক্রয় সহ সব দিকেই সাফল্য আনতে পারে এআই। যারা প্রযুক্তিকে নিজেরে মতো করে কাজে লাগাতে পারবে তারাই এগিয়ে যাবে সামনের দিকে। আপনাদের ব্যবসায় এআই ব্যবহার করে কি কি সুবিধা ও অসুবিধা হচ্ছে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আমাদের। আবারও বলছি উদ্যোক্তাদের জন্য এআই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।
অনেক ভালো লিখেছেন। বর্তমান যুগে এআই ছাড়া কিছুই করা যায় না এবং যাবেও না। আপনার লেখা পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। আন্তরিক ধন্যবাদ